Array
(
[id] => c76cd734-3a7d-4f7f-be72-c8d5849a12a6
[version] => 3
[active] => 1
[publish] => 1
[created] => 2025-03-12 10:04:48
[lastmodified] => 2025-03-12 10:12:38
[createdby] => 1704
[lastmodifiedby] => 1704
[domain_id] => 6837
[office_id] =>
[menu_id] =>
[title_bn] => সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান
[title_en] => Syeda Rizwana Hasan
[body_bn] =>
[body_en] =>
[userpermissionsids] =>
[uploadpath] => 8cd86796-2e51-46e9-8cea-ca790037c4f5
[userip] => 127.0.0.1
[useragent] => Mozilla/5.0 (Windows NT 10.0; Win64; x64) AppleWebKit/537.36 (KHTML, like Gecko) Chrome/131.0.0.0 Safari/537.36
[usergeo] =>
[is_right_side_bar] => 0
[office_head_photo] => Array
(
[0] => Array
(
[name] => 2025-03-12-04-03-82466abb9b9d2141f60e5a700f2361f5.jpg
[caption_bn] =>
[caption_en] =>
[link] =>
)
)
[office_head_description] =>
[office_head_des_bn] => সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান
মাননীয় উপদেষ্টা
পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়
সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান ৮ আগস্ট ২০২৪ তারিখে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। তিনি ৯ আগস্ট ২০২৪ তারিখে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের এবং ১৬ আগস্ট ২০২৪ তারিখে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের একজন তালিকাভুক্ত আইনজীবী। পেশাগত জীবনে তিনি বাংলাদেশ পরিবেশ আইনজীবী সমিতি (বেলা) নামে একটি স্বনামধন্য জাতীয় বেসরকারি সংস্থার প্রধান নির্বাহী হিসেবে পরিবেশ রক্ষার জন্য কাজে নিয়োজিত ছিলেন। তাঁর মূল লক্ষ্য বাংলাদেশে পরিবেশগত ন্যায়বিচার সমুন্নত করা।
সৈয়দ রিজওয়ানা হাসান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে ডিসটিংকশনসহ স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি ১৯৯৩ সালে ‘বেলা’য় তাঁর কর্মজীবন শুরু করেন এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে যোগদানের আগ পর্যন্ত তিনি এ সংস্থার সাথে যুক্ত ছিলেন।
তাঁর সুযোগ্য নেতৃত্বে ‘বেলা’ ২০০৩ সালে জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি (ইউএনইপি)-এর ‘গ্লোবাল ৫০০ রোল অব অনার্স’ অর্জন করে। এছাড়াও, পরিবেশ আইনকে জনপ্রিয় করার জন্য ২০০৭ সালে পরিবেশ অধিদপ্তর কর্তৃক ১ম বারের মতো প্রদত্ত পরিবেশ পদক ‘বেলা’কে প্রদান করা হয়। সংস্থাটি ২০০৯ সালে টেকসই পরিবেশ সংরক্ষণে কার্যকর নেতৃত্ব প্রদান করার জন্য এম. সলিম উল্লাহ স্মৃতি স্বর্ণপদক লাভ করে। ‘বেলা’ ২০২০ সালে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় অবদানের জন্য তাইওয়ান থেকে মর্যাদাপূর্ণ ‘ট্যাং’ পুরস্কারে ভূষিত হয়।
সৈয়দা রিজওয়ানা বাংলাদেশের একটি স্বনামধন্য জার্নাল কর্তৃক প্রদত্ত ‘অনন্যা শীর্ষ দশ’ পুরস্কার অর্জন করেন। তিনি নেপালভিত্তিক ‘ক্রিয়েটিভ স্টেটমেন্ট এন্ড সাউথ এশিয়া পার্টনারশিপ’ প্রদত্ত ‘সেলিব্রেটিং উম্যানহুড’ পুরস্কার (২০০৮) প্রাপ্ত প্রথম পাঁচজন দক্ষিণ এশীয় নারীর একজন। রিজওয়ানা দেশের পরিবেশ সংরক্ষণে তাঁর অসামান্য অবদানের জন্য ২০০৯ সালে পরিবেশের নোবেল খ্যাত মর্যাদাপূর্ণ ‘গোল্ডম্যান এনভায়রনমেন্টাল প্রাইজ’ অর্জন করেন। টাইম ম্যাগাজিন তাঁকে ‘ফোরটি এনভায়রনমেন্টাল হিরোজ অব দ্যা ওয়ার্ল্ড’ এর একজন হিসেবে মনোনীত করে। বিচারিক কার্যক্রমের মাধ্যমে পরিবেশ সুরক্ষা করে মানুষের মর্যাদা ও জীবনের অধিকার প্রতিষ্ঠায় তাঁর অসামান্য নেতৃত্ব, কঠোর পরিশ্রমী দক্ষতা এবং আপসহীন সাহসের স্বীকৃতি স্বরূপ ২০১২ সালে তিনি এশীয়ার নোবেল খ্যাত মর্যাদাপূর্ণ ‘র্যামন ম্যাগসেসে’ পুরস্কারে ভূষিত হন। রিজওয়ানা হাসান ২০২২ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট প্রদত্ত ‘১৬তম বার্ষিক ইন্টারন্যাশনাল উইমেন অফ কারেজ অ্যাওয়ার্ড’ এবং বালিপাড়া ফাউন্ডেশন প্রদত্ত ‘গ্রিন লিগ্যাল অ্যাওয়ার্ড’ অর্জন করেন।
ব্যক্তিগত জীবনে সৈয়দা রিজওয়ানা ব্যবসায়ী আবু বকর সিদ্দিক এর সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ। তিনি তিন সন্তানের জননী।
[office_head_des_en] => Syeda Rizwana Hasan
Honorable Advisor
Ministry of Water Resources
Syeda Rizwana Hasan was sworn in as an advisor to the interim government on 8 August 2024 and was assigned to the Ministry of Environment, Forest and Climate Change on 9 August 2024 and to the Ministry of Water Resources on 16 August 2024.
Syeda Rizwana Hasan is an enrolled lawyer with the Supreme Court of Bangladesh. In professional life, she was working for the cause of environment as the Chief Executive of a reputed national Non-Governmental Organization named Bangladesh Environmental Lawyers Association (BELA). Her main focus is to promote the notion of environmental justice in Bangladesh.
Syeda Rizwana did her masters and graduation in law from the University of Dhaka with distinction. She started her career with BELA in 1993 and continued with the same organization till she joined the interim government as an adivisor.
BELA, the organization that Rizwana ran has received the Global 500 Roll of Honors of the United Nations Environment Programme (UNEP) in the year 2003. BELA has won the Environmental Award (given for the first time that year) in 2007 given by the Department of Environment for popularizing environmental law. The organization has also been awarded with M. Saleem Ullah Memorial Gold Medal 2009 as a token of recognition of its service to the people in providing effective leadership for the preservation and sustenance of the environment. BELA has been awarded the prestigious ‘Tang Award’ from Taiwan for its contribution in the arena of Rule of Law (2020).
Rizwana Hasan has received the ‘Annanya Top Ten Award’ given by a reputed journal of Bangladesh. She is also amongst the first five South Asian women to receive the ‘Celebrating Womenhood’ award (2008) given by the Creative Statement and South Asia Partnership based in Nepal. Rizwana has received the prestigious ‘Goldman Environmental Prize’, often referred as the Nobel Prize for Environment, for the year 2009 for her outstanding contribution in protecting and conserving the environment of the country. She has also been named as one of the 40 Environmental Heroes of the World by the TIME magazine. Recognizing her impassioned leadership, hard-driving skill, and uncompromising courage in the campaign of judicial activism that has demonstrated that the right to environment is nothing less than a people’s right to dignity and life, Rizwana has been awarded with the Ramon Magsaysay Award, often regarded Asia's Nobel Prize, in 2012. Rizwana Hasan has also been awarded the 16th Annual International Women of Courage Award, 2022 given by the U.S Department of State and the Green Legal Award from the Balipara Foundation.
In her personal life Syeda Rizwana is married to business person Abu Bakar Siddique. She is a mother of three children.
[designation] =>
[designation_new_bn] =>
[designation_new_en] =>
[weight] => 2
)
=======================Array
(
[id] => bb018e95-4375-4d41-b9c5-dd692f92aa70
[version] => 3
[active] => 1
[publish] => 1
[created] => 2025-03-12 10:14:27
[lastmodified] => 2025-03-12 10:16:39
[createdby] => 1704
[lastmodifiedby] => 1704
[domain_id] => 6837
[office_id] =>
[menu_id] =>
[title_bn] => নাজমুল আহসান
[title_en] => Nazmul Ahsan
[body_bn] =>
[body_en] =>
[userpermissionsids] =>
[uploadpath] => 3e3cc980-6db8-4251-830f-a94b3460162e
[userip] => 127.0.0.1
[useragent] => Mozilla/5.0 (Windows NT 10.0; Win64; x64) AppleWebKit/537.36 (KHTML, like Gecko) Chrome/131.0.0.0 Safari/537.36
[usergeo] =>
[is_right_side_bar] => 0
[office_head_photo] => Array
(
[0] => Array
(
[name] => 2025-03-12-04-13-4a51f5081bf2dd68a4fc8eb1116036bc.jpg
[caption_bn] =>
[caption_en] =>
[link] =>
)
)
[office_head_description] =>
[office_head_des_bn] => নাজমুল আহসান
সচিব
পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়
ক্যারিয়ার সিভিল সার্ভেন্ট জনাব নাজমুল আহসান ১৫ ডিসেম্বর ২০২২ সচিব হিসেবে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ে যোগদান করেন। এ মন্ত্রণালয়ে যোগদানের পূর্বে তিনি বাংলাদেশ তৈল, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ করপোরেশনের (পেট্রোবাংলা) চেয়ারম্যান হিসাবে কর্মরত ছিলেন।
তিনি নারায়নগঞ্জ জেলার মিশনপাড়ায় সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা মরহুম কফিল উদ্দিন আহমেদ এবং মাতা রোকেয়া বেগম। তিনি নারায়নগঞ্জ হাইস্কুল থেকে থেকে এস,এস,সি ও ঢাকা কলেজ থেকে এইচ.এস.সি পাশ করেন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হতে পদার্থবিদ্যায় স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।
জনাব নাজমুল আহসান ১৯৯৪ সালের ২৫ এপ্রিল বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের ত্রয়োদশ ব্যাচে প্রশাসন ক্যাডারে যোগদান করেন এবং মাঠ প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে নিষ্ঠা ও একাগ্রতার সাথে কাজ করেন। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও বান্দরবান পার্বত্য জেলার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সহকারী কমিশনার হিসাবে, শরীয়তপুর জেলার গোসাইরহাট, নেত্রকোনা সদর ও নরসিংদী জেলার মনোহরদী উপজেলায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) হিসাবে এবং কুমিল্লা জেলায় নেজারত ডেপুটি কালেক্টর (এনডিসি) হিসাবে কাজ করেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসাবে তিনি কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর ও চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুন্ড উপজেলায় কর্মরত ছিলেন। এছাড়াও তিনি চট্টগ্রাম মুখ্য মহানগর হাকিমের (সিএমএম) আদালতে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। জনাব নাজমুল আহসান সাতক্ষীরা এবং খুলনা জেলার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসাবে মাঠ প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। তিনি জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগে সিনিয়র সহকারি সচিব, উপসচিব ও যুগ্মসচিব হিসাবে এবং বিদ্যুৎ বিভাগে উপসচিব ও যুগ্মসচিব হিসাবে কাজ করেন। এছাড়াও তিনি বাংলাদেশ তৈল, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ করপোরেশনের (পেট্রোবাংলা) চেয়ারম্যান পদে যোগদানের পূর্বে পেট্রোবাংলা’র পরিচালক (প্রশাসন) হিসাবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
জনাব নাজমুল আহসান সাতক্ষীরা ও খুলনা জেলার জেলা প্রশাসক হিসাবে দায়িত্ব পালনের সময় ২০১৫ ও ২০১৬ সালে খুলনা বিভাগের শ্রেষ্ঠ জেলা প্রশাসক নির্বাচিত হন। তিনি ২০১৭ সালে খুলনা জেলার জেলা প্রশাসক হিসাবে কর্মরত থাকাকালে জনসেবা প্রদানে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘জনপ্রশাসন পদক’ লাভ করেন। এছাড়া ২০২২ সালে পেট্রোবাংলা’র চেয়ারম্যান পদে কর্মকালে তিনি শুদ্ধাচার পুরস্কার প্রাপ্ত হন।
জনাব নাজমুল আহসান দেশে-বিদেশে অনেক প্রতিষ্ঠান ও বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন মেয়াদে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। তন্মধ্যে থাইল্যান্ডের Asian Institute of Technology (AIT), অস্ট্রেলিয়ার Monas University, ভারতের National Centre for Good Governance (NCGG) ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। কর্মজীবনে তিনি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, দূরপ্রাচ্য, মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ, উত্তর আমেরিকা ও অস্ট্রেলিয়াসহ বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ করেন।
জনাব নাজমুল আহসান ও মিসেস ইশরাত জাহান এর কন্যা সামরীন আহসান একজন ডাক্তার এবং পূত্র ফাইয়াজ আহসান বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (BUET) সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং-এ অধ্যয়নরত।
[office_head_des_en] => Nazmul Ahsan
Secretary
[designation] =>
[designation_new_bn] => সচিব
[designation_new_en] =>
[weight] => 1
)
=======================Array
(
[id] => 1a3e3957-cff2-4b82-afa7-715beb28cda4
[version] => 24
[active] => 1
[publish] => 1
[created] => 2023-01-31 17:53:32
[lastmodified] => 2025-03-12 13:53:48
[createdby] => 1704
[lastmodifiedby] => 1704
[domain_id] => 6837
[office_id] =>
[menu_id] =>
[title_bn] => ড. মোহাম্মদ আবুল হোসেন
[title_en] => Dr. Mohammad Abul Hossen
[body_bn] =>
[body_en] =>
[userpermissionsids] =>
[uploadpath] => 06d33cb7-42b5-42b1-8031-5caac6d1a93b
[userip] => 127.0.0.1
[useragent] => Mozilla/5.0 (Windows NT 10.0; Win64; x64) AppleWebKit/537.36 (KHTML, like Gecko) Chrome/134.0.0.0 Safari/537.36
[usergeo] =>
[is_right_side_bar] => 0
[office_head_photo] => Array
(
[0] => Array
(
[name] => 2023-01-31-11-52-24be291b01e447bf4738668f6fa81f07.jpeg
[caption_bn] => ড. মোহাম্মদ আবুল হোসেন
[caption_en] => Dr. Mohammad Abul Hossen
[link] =>
)
)
[office_head_description] =>
[office_head_des_bn] => ড. মোহাম্মদ আবুল হোসেন ৩০ শে জানুয়ারী, ২০২৩ খ্রিঃ তারিখে যৌথ নদী কমিশন, বাংলাদেশ এর সদস্য পদে যোগদান করেন। ইতোপূর্বে তিনি বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের পানি বিজ্ঞান, পরিকল্পনা ও প্রকল্প দপ্তরে কর্মরত ছিলেন। তিনি ২০০৫ সালে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডে সহকারী প্রকৌশলী (পুর) হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে তিনি উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী, নির্বাহী প্রকৌশলী ও তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
ড. মোহাম্মদ আবুল হোসেন মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজ থেকে কৃতিত্বের সাথে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) এর পুরকৌশল বিভাগ হতে স্নাতক ডিগ্রী অর্জন করেন। পরবর্তীতে, তিনি যুক্তরাজ্যের Plymouth University হতে স্নাতকোত্তর এবং অষ্ট্রেলিয়ার University of South Australia হতে PhD ডিগ্রী অর্জন করেন। তাঁর PhD গবেষণার বিষয় ছিল Transboundary river water sharing dispute resolution through benefit sharing। আন্তর্জাতিক অনেক স্বনামধন্য জার্নালে তাঁর গবেষণা প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়া তিনি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের বহু Conference এ অংশগ্রহণ করেছেন। তিনি যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, সুইজারল্যান্ড, বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ড, স্পেন, লুক্সেমবার্গ, তুরস্ক, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, চীনসহ বিভিন্ন দেশে উচ্চতর পেশাগত প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন। তিনি Australian Water Association (AWA), International Water Association (IWA), Institution of Engineers Bangladesh (IEB), Engineers Australia (EA), Australian Agricultural and Resource Economics Society (AARES)-সহ বিভিন্ন পেশাজীবী ও সামাজিক সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ত।
ড. মোহাম্মদ আবুল হোসেন টাঙ্গাইল জেলার মির্জাপুর উপজেলায় এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহন করেন। তাঁর পিতা মোহাম্মদ আব্দুল হক এবং মাতা ফজিরুন্নেসা। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ২ কন্যা সন্তানের জনক। তাঁর স্ত্রী গর্ণর্পূত অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী ড. ফারজানা আকতার বাংলাদেশের সিভিল সার্ভিসে কর্মরত প্রকৌশলীদের মধ্যে নারী হিসেবে প্রথম ডক্টরেট ডিগ্রী অর্জনকারী।
[office_head_des_en] => Dr. Mohammad Abul Hossen joined as the Member of Joint Rivers Commission, Bangladesh on 30th January, 2023. Prior to this appointment, he served in Bangladesh Water Development Board (BWDB).
Dr. Hossen obtained his Bachelor's degree in Civil Engineering from Bangladesh University of Engineering (BUET). He completed Masters in Water and Coastal Management from the University of Plymouth, UK. Later on, he achieved his PhD in Water Economics from the University of South Australia. Previously, he passed HSC and SSC from Mirzapur Cadet College. He has passion for transboundary water dispute that led him to pursue his PhD thesis on “Transboundary river water sharing dispute resolution through benefit sharing”. His research has been published in many reputed international journals. He attended many international conferences in home and abroad. Besides, he has received higher professional training in various countries including UK, Belgium, Netherlands, Spain, France, Turkey, Australia, New Zealand and China.
He has more than 18 years’ of experience in water management in various roles including Assistant engineer, Sub-divisional Engineer, Executive Engineer and Superintending Engineer. He has been engaged in a wide range of involvements including planning, hydrology, project management, procurement, and contract management. He is associated with various professional and social organisations including Australian Water Association (AWA), International Water Association (IWA), Institution of Engineers Bangladesh (IEB), Engineers Australia (EA), Australian Agricultural and Resource Economics Society (AARES).
Dr. Mohammad Hossen was born in a noble muslim family in Mirzapur Upazila of Tangail District. His father is late Mohammad Abdul Haque and mother is late Fozirunnesa. He is father of two daughters. His wife, Dr Farjana Akhter, is working as the Executive Engineer in Joypurhat PWD division. She is the first civil servant among women who hold a PhD in engineering.
[designation] =>
[designation_new_bn] => সদস্য, যৌথ নদী কমিশন, বাংলাদেশ
[designation_new_en] => Member
[weight] => 0
)
=======================
সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান
মাননীয় উপদেষ্টা
পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়
...
বিস্তারিত
সচিব
নাজমুল আহসান
সচিব
পানি সম্পদ মন্ত্রণ...
বিস্তারিত
সদস্য, যৌথ নদী কমিশন, বাংলাদেশ
ড. মোহাম্মদ আবুল হোসেন ৩০ শে জানুয়ারী, ২০২৩ খ্রিঃ ...
বিস্তারিত
কেন্দ্রীয় ই-সেবা
সামাজিক যোগাযোগ
জরুরি হেল্পলাইন নম্বর
